ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে করণীয় - ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ
আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন এখানে আপনি ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে করণীয় - ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন যদি আপনি ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে করণীয় - ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান তাহলে আমাদের সাথেই থাকুন
জি আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন এখানে আপনি ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে করণীয় - ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ এ সম্পর্ক নিয়ে নানান তথ্য এবং বিশ্লেষণ পাবেন যদি আপনি সঠিক তথ্য এবং সঠিক পরামর্শ জানতে চান তাহলে সূচিপত্র দেখে দেখে আমাদের ওয়েবসাইটটি ভিজিট করুন চলুন যাওয়া যাক
সূচিপত্রঃডেঙ্গু থেকে বাঁচতে করণীয় - ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ
ভূমিকা
এই সময় আমাদের অনেকেই ডেঙ্গু জ্বরে ভুগছি কিন্তু আমরা অনেক সময় জানিনা যে এর থেকে কি ভাবে মুক্তি পাব ত এখন আমি আপনাদের জানাবো যদি আপনারা ডেঙ্গু জরের লখন এবং ডেঙ্গু জর হলে করনিও কি তা সম্পরকে বিস্তারিত জানতে পারবের যদি আপনি ডেঙ্গু সম্পরকে বিস্তারিত জানতে চান তাহলে সূচীপত্র দেখে দেখে আমাদের সাথেই থাকুন চলুন জাওয়া জাক
ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ
ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ হলঃ এক ধরনের মশা কামড় দিলে মানুষের সাধারণত ডেঙ্গু জ্বর হয়ে থাকে ওই মশাটাকে আমরা চিনে থাকি এডিস মশা নামে এই এডিস মশা কামড় দিলে মানুষের শরীরে তিন থেকে 15 দিনের মধ্যে বোঝা যায় যে তার ডেঙ্গু জ্বর হয়েছে কিনা এবং ডেঙ্গু জ্বর হলে কিভাবে বুঝবেন যে আসলে ডেঙ্গু জ্বর হয়েছে তা হলো বেশি পরিমাণে জ্বর হবে; মাথা ব্যথা হবে; বমি হবে; পেশীতে ব্যথা
হবে; এবং শরীরের মধ্যে এক প্রকারের ফুশি ফুশি বাহির হবে; এগুলো যদি হয় তাহলে বুঝবেন যে ওই মানুষের ডেঙ্গু জ্বর হয়েছে চিন্তার কোন কারণ নেই সাধারণত ডেঙ্গু জ্বর ভালো চিকিৎসা দিলে দুই থেকে সাত দিনের মাঝে ভালো হয়ে যায়
ডেঙ্গু জ্বর থেকে বাঁচতে করণীয়
ডেঙ্গু জ্বর হলে সর্বপ্রথম আপনাকে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবেঃ যদি কারো ডেঙ্গু জ্বর হয়ে থাকে তাহলে তা নিশ্চিত করার জন্য অবশ্যই তাকে ব্লাড টেস্ট করাতে হবে এবং এর চেয়ে যদি কোন মারাত্মক কোন কিছু দেখা যায় তাহলে তাকে একজন ভালো দক্ষ ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে এ সময় আপনাকে পরিপূর্ণ বিশ্রাম করতে হবে কেননা ডেঙ্গু জ্বর এটা মানুষের শরীরকে একেবারে শেষ করে ফেলে ডেঙ্গু জ্বর হলে সাধারণত ১০৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত জ্বর শরীরে উঠতে পারে এবং এই
সময় মাথাব্যথা; বমির ভাব; মানুষের হাড়ের জয়েন্ট গুলিতে ব্যথা; হতে পারে এবং কারো অনেক সময় রক্তক্ষরণ হয়ে থাকে চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে দাঁত ব্রাশ করলে রক্তক্ষরণ হয়; নাক দিয়ে রক্ত বের হয়; প্রস্রাব পায়খানার সঙ্গে রক্ত যেতে পারে; এমনকি নারীদের ক্ষেত্রে পিরিয়ডকালে রক্তক্ষরণ স্বাভাবিকের চাইতে অনেক বেশি হতে পারে বিশ্রাম নিতে হবে এমনকি বলা হয়েছে বিশ্রাম ছাড়া ডেঙ্গু থেকে কখনোই মুক্তি পাওয়া যাবে না
খাবার এবং পানি নিয়ে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে
ডেঙ্গু হলে খাওয়া-দাওয়ার ক্ষেত্রে কোন ধরা বাধা নেই তবে আপনাকে বেশি পরিমাণে পানি পান করতে হবে ডেঙ্গুজ্বর রোগীর শরীরের প্রচুর পরিমাণে পানির শূন্যতা দেখা দেয় এবং নিয়মিত ফলের রস খেতে হবে; ওর স্যালাইন খেতে হবে পানির সাথে; ডাবের পানি খেতে হবে; এবং ওই সমস্ত পানি খেতে হবে যে সমস্ত পানি খেলে শরীরের মধ্যে এনার্জি পয়দা হয়; যেমন ধরুন যেগুলি খাবারের মধ্যে ভিটামিন এ
থাকে এবং প্রোটিনের মাত্রাটা বেশি থাকে এ সমস্ত খাবার খেতে হবে; সবচেয়ে ভালো হয় সাধারণত যে খাবার গুলো আমরা খেয়ে থাকি সেগুলি ঘরে যেগুলি বানানো হয় সেগুলি খাবার খাওয়া বাহিরের খাবার খেলে এটা বেশি হতে পারে বিশেষ দ্রষ্টব্য যদি আমি আপনি পানি পান করতে না পারি পানি না পান করি তাহলে আমাদের কিডনির সমস্যা হতে পারে
ডেঙ্গু জ্বর কমাতে আরো কিছু সাবধানতা অবলম্বন করা যা করবেন
ডেঙ্গু জ্বর হলে সাধারণত শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় যার কারণে আপনি পানি দিয়ে একটু পর পর শরীর মুছে ফেলবেন; ডেঙ্গুজোর আক্রান্ত রোগীর প্যারাসিটামল জাতীয় ট্যাবলেট খাওয়ানো এবং বাচ্চাদের সিরাপ খাওয়ানো অবশ্য যদি মুখে না খেতে পারে তাহলে মলদ্বারের জায়গায় সাপোজিটর
দিতে হবে; ডেঙ্গু জ্বর হলে প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য কোন ব্যথা নাশক ওষুধ খাওয়া যাবেনা যদি আপনি খেতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে একজন ভালো ডাক্তারের সুপরামর্শ নিতে হবে প্যারাসিটামল খাওয়ার ক্ষেত্রে দেখতে হবে যদি কেউ হার্টের রোগী থাকে; অথবা কিডনিতে সমস্যা থাকে তাহলে তারা অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন
ডেঙ্গু জ্বর কতদিন থাকে
আমরা জানি সাধারণত ডেঙ্গু জ্বর ৭ দিন পর্যন্ত থাকে অনেক সময় দেখা গেছে সাত দিন পরে যখন মানুষের শরীর থেকে জ্বর চলে গেছে তখন ওই মানুষটা নিজেকে সুস্থ ভাবে এটা একেবারেও চলবে না নিজেকে সুস্থ ভাবা যাবেনা কারণ জ্বর কমলে অনেক সময় তারপরে অসুবিধা দেখা দেয় জ্বর ছাড়া তার
থেকে পাঁচ দিনের মাথায় শরীরের মধ্যে কোন এনার্জি থাকে না ঘামাচির মত শরীরের মধ্যে বাহির হয় এরকম যদি হয় তাহলে আপনাকে অবশ্যই ব্লাড টেস্ট করাতে হবে এরপর ২৪ ঘন্টা থেকে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে তীব্র পেট ব্যথা বমি নাক বা দাঁতের মাড়ি দিয়ে রক্ত বের হওয়া এবং রক্ত বমি হওয়া পায়খানা কালো হয়ে যাওয়া প্রস্রাব কমে গেলে অবশ্যই দ্রুত তাকে হসপিটালে ভর্তি করাতে হবে কোন অবহেলা করা যাবে না যদি অবহেলা করা হয় তাহলে মারাত্মক ডেঙ্গু রোগ হতে পারে
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ রোগ হলে ওই রোগীকে মশারি ব্যবহার করতে হবে যাতে করে তাকে ভাইরাস যুক্ত মশা এডিস মশা কামড়াতে না পারে মনে রাখবেন ডেঙ্গু রোগ এটা কোন ছোঁয়াচে রোগ নয় এটা কেবলমাত্র মশার কামড়ের কারণে হয়ে থাকে এজন্য ইদানিং যেহেতু বেশি পরিমাণে মানুষ ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হচ্ছে যার কারণে আমাদেরকে সতর্কতা অবলম্বন করার জন্য মশারি ব্যবহার করতে হবে
লেখকের শেষ কথা
সম্মানিত পাঠক বৃন্দ এতক্ষণ আপনারা জানতে পারলেন ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে করণীয় ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ এবং ডেঙ্গু জ্বর হলে কি কি করতে হয় যদি আপনারা এভাবে চলতে পারেন তাহলে ইনশাআল্লাহ আপনারা ডেঙ্গু রোগ থেকে মুক্তি পাবেন যদি আপনারা আমাদের এই তথ্য থেকে উপকৃত হয়ে থাকেন তাহলে আমাদের এই ওয়েবসাইটটির কথা আপনার বন্ধু-বান্ধবের কাছে কপি লিংক করুন এবং আপনি যদি আর অন্য কোন বিষয়ে জানতে চান তাহলে আমাদেরকে কমেন্ট সেকশনে জানিয়ে দিন ধন্যবাদ
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url